নিজস্ব প্রতিবেদক : জামিন শুনানির দিনে মারা গেলেন মানবতাবিরোধী মামলার আসামি সালামত উল্লাহ খান। সে কক্সবাজার কারাগারে থাকা অবস্থায় মারা গেছেন।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে কারা হেফাজতে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। সালামত উল্লাহ খানের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুস সাত্তার পালোয়ান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
পরে এ আইনজীবী বলেন, গত তিন বছর ধরে সালামত উল্লাহ খান অসুস্থ। অসুস্থতার কারণে আমরা জামিন আবেদন করেছিলাম। জামিন শুনানির জন্য মঙ্গলবার ট্রাইব্যুনাল দিন নির্ধারণ করেছিলেন। তবে সকালেই তিনি মারা গেলেন। বিষয়টি ট্রাইব্যুনালকে জানিয়েছি। পরে ট্রাইব্যুনাল তার জামিন আবেদনটি উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করে দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী প্রসিকিউটর জেয়াদ আলমও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সালামত উল্লাহ খানসহ অন্যান্যদের মামলার তদন্ত শেষে চূড়ান্ত প্রতিবেদনে তাদের বিরুদ্ধে হত্যা, নারী নির্যাতন, অগ্নিসংযোগ, ধর্মানন্তর ও দেশান্তরকরণসহ ১৩টি অভিযোগ আনেন তদন্ত সংস্থা।
মামলায় এর আগে আসামি ছিল ১৯ জন। তবে গ্রেপ্তার হওয়া একজন মারা যাওয়ায় মোট আসামি হন ১৮ জন। তবে এ মামলায় নতুন করে আরও একজন আসামি অন্তর্ভুক্ত করায় মোট আসামি দাঁড়ালো ১৯ জন। এখন আরও একজন মারা গেলেন।
সালামত উল্লাহ খান ছাড়া অন্যান্য আসামিরা হলেন, মৌলভী জাকারিয়া শিকদার, মো. রশিদ মিয়া বিএ, অলি আহমদ, মো. জালাল উদ্দিন, মোলভী নুরুল ইসলাম, মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম সাবুল, মমতাজ আহম্মদ, হাবিবুর রহমান, মৌলভী আমজাদ আলী, মৌলভী আব্দুল মজিদ, বাদশা মিয়া, ওসমান গণি, আব্দুল শুক্কুর, মৌলভী সামসুদ্দোহা, মো. জাকারিয়া, মো. জিন্নাহ ওরফে জিন্নাত আলী, মৌলভী জালাল ও আব্দুল আজিজ।
এদের মধ্যে সালামত উল্লাহ খানসহ ৭ জনকে গ্রেফতার করেছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তারা হলেন, সালামত উল্লাহ খান, মো. রশিদ মিয়া বিএ, মৌলভী নুরুল ইসলাম, বাদশা মিয়া, মৌলভী ওসমান গনি, মৌলভী শামসুদ্দোহা, মো.জিন্নাত আলী। তাদের মধ্যে মোলভী সামসুদ্দোহা ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছিলেন। আজ মারা গেলেন অপর আসামি সালামত উল্লাহ খান।



































