300X70
মঙ্গলবার , ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ১৮ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অন্তর্বর্তীকালীন সরকার
  2. অপরাধ ও দূর্নীতি
  3. আইন ও আদালত
  4. আনন্দ ঘর
  5. আনন্দ ভ্রমন
  6. আবহাওয়া
  7. আলোচিত খবর
  8. উন্নয়নে বাংলাদেশ
  9. এছাড়াও
  10. কবি-সাহিত্য
  11. কৃষিজীব বৈচিত্র
  12. ক্যাম্পাস
  13. খবর
  14. খুলনা
  15. খেলা

সীসা দূষণে বিপর্যস্ত শিশুরা

প্রতিবেদক
বাঙলা প্রতিদিন২৪.কম
এপ্রিল ১৬, ২০২৪ ৮:৩৫ অপরাহ্ণ

সুমাইয়া আকতার : সাম্প্রতিক সময়ে সীসা দূষণ ভয়ংকর সমস্যাগুলোর মধ্যে একটি।এই দূষণে সবচেয়ে বেশিই আক্রান্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শিশুরা।ফলে শিশুদের মানসিক বিকারগস্ততা,প্রতিবন্ধি হবার হার বাড়ে এমনকি শারীরিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়।বিগত ২০২৩ সালে ল্যানসেট বৈজ্ঞানিক সাময়িকীতে প্রকাশিত বিশ্ব ব্যাংকের এক গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশে এক বছরে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের মৃত্যুর কারণ সীসা দূষণ।

নিম্নমানের জিনিসপত্র, খেলনা, ভেজাল খাদ্যপণ্য ছাড়াও বিভিন্ন কারণে আমাদের দেশের বাচ্চাদের শরীরে সীসার পরিমাণ বেশি থাকে।সীসা দূষণ আক্রান্ত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ চতুর্থ। UNICEF এবং PURE EARTH যৌথভাবে একটি গবেষণা করে বের করেছে যে, বাংলাদেশের প্রায় ৩ কোটি ৬০ লক্ষ শিশু এর শিকার। এ দেশের আনুমানিক ১ কোটি শিশুর শরীরে প্রতি ডেসিলিটার রক্তে ১০ মাইক্রোগ্রামের চেয়েও বেশি সীসা পাওয়া গেছে।সীসা হল একটি শক্তিশালী নিউরোটক্সিন যা শিশুদের মস্তিষ্কে অপূরণীয় ক্ষতি করে এবং এটি একটি ভারী ধাতু।এটি সাধারণত প্রকৃতিতে (মাটিতে) এবং মানুষের ব্যবহারের বিভিন্ন জিনিসপত্রে পাওয়া যায়।

এই ভারী ধাতুর অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে প্রকৃতি দূষিত হয়ে পড়ে এবং মানুষ কোনোভাবে এই ভারী ধাতুর সংস্পর্শে আসলে জটিল স্বাস্থ‍্য সমস্যা হয়।শিশুদের পাশাপাশি আক্রান্ত হচ্ছে বড়রাও।প্রাকৃতিক পরিবেশের সতেজ বায়ুতে শ্বাসপ্রশ্বাসের স্বাভাবিক গতিবিধি যেন ব্যহত হচ্ছে বায়ুদূষণের কারণে।আর বায়ুদূষণের সাথে পাল্লা দিয়ে পরিবেশে বেড়েছে সীসার মাত্রা।সীসাযুক্ত বাতাস শ্বাসের নেয়ার মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করতে পারে এছাড়াও সীসাযুক্ত খাবার অথবা পানীয় খেলেও সীসা দূষণের শিকার হতে পারে।সীসা দূষণের কারণে বাচ্চাদের কথা বলায় এবং আওয়াজ শোনার ক্ষেত্রেও জটিলতা দেখা দিতে পারে। সীসা দূষণের কারণে শিশুদের হৃদপিন্ড ও মস্তিষ্ক দুর্বল হয়ে পড়ে।বড় হওয়ার পর স্ট্রোক ও হার্ট অ‍্যাটাকের আশঙ্কা খুব বেশি থাকে।

এক কথায় বললে, সীসা দূষণ বাচ্চাদের শারীরিক, আচরণগত এবং মানসিক বিভিন্ন অসুস্থতার জন‍্য দায়ী।এটি

যেকোন বয়সী বাচ্চার সীসা দূষণের আশঙ্কা বেশি।মূলত ৯ মাস থেকে ২ বছর বয়সী বাচ্চাদের শরীরে সীসা প্রবেশ করার আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি কারণ ওরা সাধারণত ফ্লোরে, মাটিতে হামাগুড়ি দেয়। এবং স্বভাবগত আগ্রহের কারণে সামনে যা পায় তা ধরে ফেলে, এমনকি সেটা মুখেও নিয়ে নেয়।আমেরিকার সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশান বলছে, সীসা খাবারের মাধ্যমে, শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে এবং চামড়ার মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করতে পারে।

সীসা থাকতে পারে কিংবা সীসার দূষণ ছড়িয়ে যাবার নানবিধ কারণের মধ্যে কিছু কারণ মূখ্যভূমিকায় রয়েছে যেমন:আমেরিকায় সীসা দূষণ সবচেয়ে বেশি ছড়ায় বাড়ির দেয়ালের পুরোনো হয়ে যাওয়া রং থেকে।শিশুরা সীসাযুক্ত রংয়ের আস্তরণ চিবিয়ে ফেললে, স্পর্শ করলে, এমনকি খসে পড়া রংয়ের গুঁড়ো নিঃশ্বাসের সাথে গ্রহণ করলে সীসার ক্ষতিকর প্রভাবের শিকার হতে পারে।

এছাড়াও, বাড়ির আবর্জনা থেকে সীসা আশেপাশের মাটিতে মিশে গেলে,পরিবারের অসাবধানতায় শিশুরা সীসাদূষিত মাটি খেলে এবং মাটিতে চাষ করা সবজি খেলে,পুরোনো খেলনা, জুয়েলারি অথবা কসমেটিকস মুখে নিলে, সীসাযুক্ত রং ব্যবহার করা হয়েছে এমন পাত্রে খাবার খেলে। সাধারণত খাবার পাত্র যেমন অ্যালুমিনিয়াম ও সিরামিকের বাসনপত্র চকচকে করতে সীসাযুক্ত রং ব্যবহার করা হয়। এসব পাত্রে রান্না করা খাবার খেলে পাত্র থেকে সীসা গলে খাবারের সাথে মিশে শরীরে ঢুকতে পারে।

অনেক দিনের পুরোনো ট্যাপের পানিতে সীসা থাকার আশঙ্কা খুব বেশি।বিদেশি চকলেট ও জুসের মধ্যেও সীসা থাকতে পারে। সবসময় বাচ্চার খেয়াল রাখে, আশেপাশে থাকে এমন প্রাপ্তবয়স্ক লোক যদি সীসাযুক্ত জুয়েলারি অথবা কাপড় পরে, তবে শিশু এতে সীসা দূষণের শিকার হতে পারে।সীসা দূষিত মাটি বা ধুলার ছোটকণা পোশাকে বা ঘরের আসবাবপত্রে থাকলে শ্বাসের মাধ্যমে সীসা শরীরে প্রবেশ করতে পারে।সীসা আক্রান্ত এলাকায় খেলাধুলা করলে শিশুদের চামড়ায় বিষাক্ত সীসার আস্তরণ পড়তে থাকে এবং শরীরে প্রবেশ করে মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে।

বাচ্চাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে ব্যবহার করা আয়ুর্বেদিক বা পুরানো ওষুধ খেতে দিলে তা থেকে শিশুদের শরীরে সীসা প্রবেশ করতে পারে।সীসা দূষণে শিশু আক্রান্ত হলে কিছু বিষয় লক্ষ্যনীয়।যেমন: ক্ষুধা কমে যাওয়া, বেশিরভাগ সময় শারীরিকভাবে ক্লান্ত,অবসন্ন অনুভব করা,মেজাজ খিটখিটে হয়ে থাকা,শারীরিক বৃদ্ধি ঠিকঠাক না হওয়া,বমিভাব অথবা বমি হওয়া,কোষ্ঠকাঠিন‍্য,,পেট ব্যথায় ভোগা, হাড়ে ব্যথা অনুভব করা, মাথা ব্যথা হওয়া, পড়াশোনায় অমনোযোগ বা পড়া মনে রাখতে না পারা।যেহেতু বাংলাদেশে এখনো শিশুশ্রমিক রয়েছে তাই বাংলাদেশের পথশিশুদের শরীরে উচ্চমাত্রার সীসা পাওয়া গেছে।শহরে পথশিশুদের বেশিরভাগই বিভিন্ন আবর্জনার স্তুপে প্লাস্টিক, লোহার জিনিসপত্র কুড়িয়ে দিন কাটায়। আবর্জনার স্তুপগুলোতে বিষাক্ত সীসার পরিমাণ ভয়ংকর মাত্রায় থাকে। পথশিশুদের শ্বাসের মাধ্যমে এবং চামড়া দিয়ে প্রবেশের মাধ্যমে সীসা দূষণে আক্রান্ত হয়ে প্রাণঘাতী অসুখের শিকার হয়।

সীসা দূষণের মত সমস্যার ক্ষতিকর প্রভাবকে প্রাথমিক পর্যায়ে মূল্যায়ন না করা হলেও এর প্রভাব দীর্ঘমেয়াদী হয়।তাই এই দূষণ নিরসনে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ এবং দূষিত এলাকা থেকে দূরে থাকা উচিত।পাশাপাশি ঘরে বাচ্চাদের ঘনঘন হাত ধোয়ার অভ্যাস করাতে হবে৷ এতে ঘর পুরোনো হলেও শরীরে সীসা প্রবেশের আশংকা কমবে। এছাড়াও তাদের নিয়মিত নখ কাটতে হবে যাতে নখের নিচে জমে থাকা ময়লার মাধ্যমে সীসা শরীরে ঢোকার আশংকা কমে।নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার দিতে হবে।

তাদের খাবারে যাতে আয়রন, ভিটামিন সি এবং ক্যালসিয়াম থাকে তাই নিয়মিত ডিম, মাংস, শিমের বীজ, ফলমুল, লেবু, সবুজ মটরশুটি, টকদই, পনির ইত্যাদি খাওয়ানো যেতে পারে।নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খেলে শরীর থেকে সীসা বের হয়ে যায়।যাদের বাড়ির পানির কল, পাইপ পুরানো তারা দিনের শুরুতে ব্যবহারের জন্য পানি নেয়ার আগে অন্তত ১০ মিনিট পানির কল ছেড়ে রাখতে পারেন। এই ১০ মিনিটে পানির সাথে বেশিরভাগ সীসা চলে যাবে এবং সীসা দূষণের আশঙ্কা কমবে৷ ঘরের বাইরে বা খেলার মাঠে খোলামেলাভাবে বসে খাবার অথবা পানি খাওয়া থেকে শিশুদের বিরত রাখতে হবে।এবং শিশুশ্রমিকের শ্রমের হারের পরিমাণ কমিয়ে আনার দৃঢ় প্রত্যয়ে অগ্রসর হতে হবে।
লেখক : শিক্ষার্থী, বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন কলেজ।
sumayaakter11122@gmail.com

বাঙলা প্রতিদিনে সর্বশেষ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত
জনগণের জানার অধিকার নিশ্চিত করতে গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর
নতুন ৬ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন
আপনার সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছি : মির্জা ফখরুলকে ভারতের রাষ্ট্রপতি
প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন দুজন
শপথ নিলেন নতুন চার মন্ত্রী
বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন মির্জা ফখরুল
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতি আনতে চায় বাংলাদেশ-ভারত
তথ্যমন্ত্রীর সাথে জাতিসংঘে বাংলাদেশের মনোনীত স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খানের সাক্ষাৎ
মোদীর সঙ্গে বৈঠক করলেন দীনেশ ত্রিবেদী
শহীদদের ত্যাগে অবাধ নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি : তথ্য প্রতিমন্ত্রী
মানবপাচার ও অনলাইন স্ক্যাম প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
পদত্যাগপত্রে যা লিখলেন মো. সাহাবুদ্দিন
ঐতিহাসিক জুলাই শহীদ দিবসে শহীদদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার
প্রাণী চিকিৎসায় মানসম্মত ওষুধ ও আধুনিক সেবা নিশ্চিত করতে হবে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
এভারকেয়ার হসপিটাল চট্টগ্রামের নেফ্রোলজি বিভাগের নতুন ডক্টর ডা. শওকত আজাদ
গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় সরকার হস্তক্ষেপ করে না : তথ্য প্রতিমন্ত্রী
জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ খাতেবিনিয়োগ ও প্রযুক্তি সহযোগিতায় আগ্রহী জাপানের মিতসুই
এআই বিচারব্যবস্থার সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে : আইনমন্ত্রী

সর্বশেষ - খবর

আপনার জন্য নির্বাচিত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত

জনগণের জানার অধিকার নিশ্চিত করতে গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

নতুন ৬ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন

আপনার সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছি : মির্জা ফখরুলকে ভারতের রাষ্ট্রপতি

প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন দুজন

শপথ নিলেন নতুন চার মন্ত্রী

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন মির্জা ফখরুল

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতি আনতে চায় বাংলাদেশ-ভারত

তথ্যমন্ত্রীর সাথে জাতিসংঘে বাংলাদেশের মনোনীত স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খানের সাক্ষাৎ

মোদীর সঙ্গে বৈঠক করলেন দীনেশ ত্রিবেদী

শহীদদের ত্যাগে অবাধ নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

মানবপাচার ও অনলাইন স্ক্যাম প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পদত্যাগপত্রে যা লিখলেন মো. সাহাবুদ্দিন

ঐতিহাসিক জুলাই শহীদ দিবসে শহীদদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার

প্রাণী চিকিৎসায় মানসম্মত ওষুধ ও আধুনিক সেবা নিশ্চিত করতে হবে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

পহেলা বৈশাখে মুখোশ পড়ে রমনায় প্রবেশ নিষেধ: ডিএমপি কমিশনার

কোরবানির পশুর হাট তদারকি করবে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়

ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে রোগীকে গণধর্ষণ করল চিকিৎসক ও তার বন্ধুরা

মহান বিজয় দিবসে বাউবি’র শ্রদ্ধা নিবেদন

কুমিল্লায় মহাসড়কে তীব্র যানজট, বিকল্প সড়ক ব্যবহারের অনুরোধ

হুমায়ুন কবীর এক্সিম ব্যাংকের নতুন অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক

ডাচদের কাছে ১১৭ রানেই গুটিয়ে গেল জিম্বাবুয়ে

সাবেক এমপি তানভীরের ব্যাংক হিসাবের ১২০৮ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি ২৩ বছর পর গ্রেফতার

হাদিকে নিয়ে পোস্টে রিপোর্ট, আসিফ মাহমুদের পেজ রিমুভ