300X70
শুক্রবার , ২৮ এপ্রিল ২০২৩ | ১৮ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অন্তর্বর্তীকালীন সরকার
  2. অপরাধ ও দূর্নীতি
  3. আইন ও আদালত
  4. আনন্দ ঘর
  5. আনন্দ ভ্রমন
  6. আবহাওয়া
  7. আলোচিত খবর
  8. উন্নয়নে বাংলাদেশ
  9. এছাড়াও
  10. কবি-সাহিত্য
  11. কৃষিজীব বৈচিত্র
  12. ক্যাম্পাস
  13. খবর
  14. খুলনা
  15. খেলা

আগামীকাল সেই ভয়াল ২৯ এপ্রিল

প্রতিবেদক
বাঙলা প্রতিদিন২৪.কম
এপ্রিল ২৮, ২০২৩ ৭:৫৫ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক : আগামীকাল শনিবার সেই প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ের শোকাবহ দিন ২৯ এপ্রিল। ১৯৯১ সালের এ দিন রাতে বাংলাদেশের বঙ্গোপসাগর উপকূলে আঘাত হেনেছিল মহাপ্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস। সেই রাতে কেড়ে নেয় উপকূলের লাখো মানুষের প্রাণ। একই সঙ্গে প্রাণ যায় লাখ লাখ গবাদিপশুর। প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ উপকূলীয় এলাকা কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পরিণত হয় বিরাণভূমিতে।

আগামীকাল ২৯ এপ্রিল উপকূলবাসীর কাছে এক দুঃসহ স্মৃতির নাম। লাশের পর লাশ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল চারদিকে। বিস্তীর্ণ অঞ্চল পরিণত হয় ধ্বংসস্তূপে। পরদিন সেই ধ্বংসলীলা দেখে কেঁপে উঠেছিল বিশ্ব বিবেক। সহায় সম্বল ও স্বজনহারা উপকূলের বেঁচে যাওয়া মানুষগুলো পেয়েছিলেন নবজন্ম।

৩২ বছর আগের সেই মহাপ্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের আঘাত তছনছ করে দিয়েছিল উপকূলীয় জনপদ। ঘণ্টায় ২০০ থেকে ২২৫ কিলোমিটার গতিবেগের প্রচণ্ড ঘূর্ণিঝড় এবং ২৫ থেকে ৩০ ফুট উঁচু জলোচ্ছ্বাসে দেশের উপকূলীয় এলাকা পরিণত হয়েছিল বিরানভূমিতে। ভেসে গিয়েছিল ফসলের ক্ষেত, লাখ লাখ গবাদিপশু। ভয়াবহ ওই ঘূর্ণিঝড়ে মারা যান প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার মানুষ। যদিও সরকারি হিসাব মতে মৃতের সংখ্যা ১ লাখ ৩৮ হাজার।

কক্সবাজারের আট উপজেলা ও চট্টগ্রামের বাঁশখালী-আনোয়ারাসহ উপকূলের হাজার হাজার গ্রাম লণ্ডভণ্ড হয়েছিল। সম্পদহানি হয়েছিল ৪ হাজার কোটি টাকারও বেশি। বিলীন হয়ে গিয়েছিল চট্টগ্রাম-কক্সবাজারসহ বিভিন্ন উপকূলীয় এলাকার প্রায় আড়াইশ কি.মি. বেড়িবাঁধ।

ভয়াল সে স্মৃতি আজও কাঁদায় পুরো উপকূলবাসীকে। দিনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি শোকাবহ দিন। দুঃসহ সে স্মৃতি এখনও কাঁদায় স্বজনহারা মানুষগুলোকে। সেই ধ্বংসযজ্ঞের স্মৃতি বয়ে নিয়ে আবারও উপকূলীয় মানুষের কাছে দিনটি ফিরে এসেছে। ২৯ এপ্রিল স্মৃতি ফাউন্ডেশন প্রতি বছর দিবসটি উপলক্ষে কোরআনখানি, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে থাকে।

এদিকে, উপকূলীয় অঞ্চল প্রতিনিধি জানান : কক্সবাজারে ১৯৯১ সালের প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ের ৩২ বছর পরও চকরিয়া-পেকুয়া অংশের উপক‚লীয় এলাকার বেড়িবাঁধ অরক্ষিত থেকে গেছে। এই দুই উপজেলার অনেক অংশে এখন বড় জোয়ার আসলেও পানি ঢুকে যাচ্ছে লোকালয়ে। ফলে ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাসের খবর শুনলেই আতঙ্কে দিন কাটছে লাখো মানুষের।

আজগামীকাল শনিবার দিনটি ঘিরে উপকূলীয় এলাকার মানুষ তাদের হারানো স্বজনদের স্মরণ করে। ২৯ এপ্রিল রাতের সেই বিভীষিকা স্মরণ করে আজও শিউরে ওঠে উপকূলের মানুষ। মূলত সেই সময়ে টেকসই বেড়িবাঁধ না থাকায় উপকূলীয় এলাকা রাতের মধ্যেই বিরাণভূমিতে পরিণত হয়েছিল। আর এখনো সেই অরক্ষিত অবস্থা কাটেনি।

বেড়িবাঁধ নির্মাণকারী পানি উন্নয়ন বোর্ড পুরো উপকূল রক্ষায় টেকসই কোনো প্রকল্প এখনো বাস্তবায়ন করেনি। বর্ষা আসলে কেবল জোড়াতালি দিয়েই সময়টা পার করে। ফলে সরকারি বরাদ্দের কোনো সুফল মেলে না। এলাকাবাসীরও কোনো উপকার হয় না। তবে সম্প্রতি পেকুয়া মগনামায় শেখ হাসিনা সাবমেরিন ঘাঁটি ঘিরে ওই এলাকায় সাগর উপকূলে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মিত হয়েছে। একই ধরনের বেড়িবাঁধ বড় প্রকল্প নিয়ে চকরিয়া-পেকুয়া উপক‚লজুড়ে বাস্তবায়ন চান আতঙ্কে থাকা এলাকাবাসী।

যদিও পানি উন্নয়ন বোর্ড কক্সবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী ড. তানজির সাইফ আহমেদ বলেন, পুরোপুরি সুরক্ষিত উপকূল আমি এটা কখনোই বলব না। তবে সেই ঘূর্ণিঝড়ের পর এখন উপকূলের বেড়িবাঁধের অনেক উন্নয়ন হয়েছে। সর্বশেষ সিত্রাং ঘূর্ণিঝড়েও আপনি দেখবেন অতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়নি কারণ বেড়িবাঁধের দুর্বল অংশ ধাপে ধাপে সংস্কার, উন্নয়ন, শক্তিশালী করা হয়েছে।

তাঁর মতে, মাতারবাড়ীতে টেকসই অর্থাৎ একশ বছর মেয়াদি বেড়িবাঁধ নির্মাণে আমরা জাপানি সহায়তা চাইছি। আর কুতুবদিয়া দ্বীপের বেড়িবাঁধ নির্মাণে সরকারি অর্থায়নে করার পরিকল্পনা নিচ্ছি। এ ছাড়া চকরিয়া যেই গুরুত্বপূর্ণ অংশে ঝুঁকি আছে সেগুলো বিদেশি কোনো অর্থায়নে বড় প্রকল্পের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করছি।

কারণ এতটাকা সরকারি অর্থায়নে এই মুহূর্তে সম্ভব নয়। এরই অংশ হিসেবে মাতামুহুরী নদী শাসনটা জাপানের জাইকাকে দিয়ে এবং মাতামুহুরী নদীতে দুটি রাবারড্যাম সংস্কার সরকারি অর্থায়নে করতে চাইছি।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, কক্সবাজারের চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলায় সমুদ্র উপকূল, নদীতীরের প্রায় ২৮৭ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ রয়েছে। তারমধ্যে চকরিয়ায় রয়েছে প্রায় ৪৭ কিলোমিটার এবং পেকুয়ায় ২৪০ কিলোমিটার। এই বেড়িবাঁধের মধ্যে চকরিয়ার প্রায় ৩৬ কিলোমিটার অংশ ভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছে।

সেই ভঙ্গুর বেড়িবাঁধ এবং নদী ভাঙনের কবল থেকে প্রায় ২৭ কিলোমিটার পর্যন্ত তীর টেকসইভাবে সংরক্ষণের জন্য ব্লক বসানো, ১৬টি নতুন স্লাুইস গেট স্থাপন করা, পুরাতন ২৭টি স্লুইস গেট রিপেয়ারিং করার জন্য প্রকল্প প্রস্তাব ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। চকরিয়া অংশের এসব কাজ বাস্তবায়নের জন্য সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৯২২ কোটি ৫৪ লাখ টাকা।

অপরদিকে পেকুয়া উপজেলার প্রায় ২৪০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের মধ্যে একেবারে নাজুক অবস্থায় রয়েছে প্রায় ৭ কিলোমিটার। সেই বেড়িবাঁধ টেকসই ও আধুনিকভাবে নির্মাণের জন্য বর্তমানে সমীক্ষার কাজ চলছে।

চকরিয়ার বদরখালী, পশ্চিম বড় ভেওলা, চিরিঙ্গা, কোনাখালী, ঢেমুশিয়া, ডুলাহাজারা ও পেকুয়ার মগনামা, রাজাখালী, উজানটিয়া ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধিরা জানান, এসব ইউনিয়নের বেড়িবাঁধগুলো নির্মিত হয়েছিল ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী। এর পর মাঝেমধ্যে সমস্যা বিবেচনায় জরুরিভিত্তিতে আপদকালীন কিছু কাজ করা হলেও কার্যত ভঙ্গুর ও জরাজীর্ণ অবস্থায়ই রয়েছে বেড়িবাঁধগুলো। এতে ১৯৯১ সালের মতো ফের যদি বড় কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ হয় তাহলে ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো যাবে না আগের মতো।

মগনামা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. ইউনুস চৌধুরী জানান, বানৌজা শেখ হাসিনা সাবমেরিন ঘাঁটি স্থাপন করায় কাঁকপাড়া বেড়িবাঁধ টেকসইভাবে নির্মাণকাজ চলছে। বর্তমানে ভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছে শরতঘোনা থেকে মগনামা জেটিঘাট পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার বেড়িবাঁধ।

চকরিয়ার বদরখালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নূরে হোছাইন আরিফ জানান, দক্ষিণ মাথার ফিশারীঘাট থেকে নাপিতখালী হয়ে মামা-ভাগিনা পাড়া পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার বেড়িবাঁধের অবস্থা খুবই নাজুক। শুধু সামুদ্রিক অস্বাভাবিক জোয়ার নয়, ভারি বর্ষণ হলেই সেই ভঙ্গুর বেড়িবাঁধ বিলীন হতে সময় লাগবে না।

পশ্চিম বড়ভেওলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বাবলা বলেন, ‘৬৫ নম্বর পোল্ডারের চৌয়ারফাঁড়ি, ফুলতলা, ডেবডেবি, লম্বাখালী এলাকার সমুদ্র উপকূলের প্রায় ৪ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ একেবারেই বিলীন হয়ে রয়েছে।

ফুলতলার ভাদিবইন্যা পয়েন্টের বেড়িবাঁধসহ স্লুাইস গেটটির অবস্থা এমন নাজুক যে, বৃষ্টিপাত শুরু হলে এবং সামুদ্রিক অস্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে যে কোনো সময় পুরো বিলীন হয়ে পশ্চিম বড় ভেওলা, ঢেমুশিয়া, কোনাখালী ইউনিয়ন তলিয়ে যাবে।’

বাঙলা প্রতিদিনে সর্বশেষ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত
জনগণের জানার অধিকার নিশ্চিত করতে গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর
নতুন ৬ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন
আপনার সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছি : মির্জা ফখরুলকে ভারতের রাষ্ট্রপতি
প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন দুজন
শপথ নিলেন নতুন চার মন্ত্রী
বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন মির্জা ফখরুল
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতি আনতে চায় বাংলাদেশ-ভারত
তথ্যমন্ত্রীর সাথে জাতিসংঘে বাংলাদেশের মনোনীত স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খানের সাক্ষাৎ
মোদীর সঙ্গে বৈঠক করলেন দীনেশ ত্রিবেদী
শহীদদের ত্যাগে অবাধ নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি : তথ্য প্রতিমন্ত্রী
মানবপাচার ও অনলাইন স্ক্যাম প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
পদত্যাগপত্রে যা লিখলেন মো. সাহাবুদ্দিন
ঐতিহাসিক জুলাই শহীদ দিবসে শহীদদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার
প্রাণী চিকিৎসায় মানসম্মত ওষুধ ও আধুনিক সেবা নিশ্চিত করতে হবে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
এভারকেয়ার হসপিটাল চট্টগ্রামের নেফ্রোলজি বিভাগের নতুন ডক্টর ডা. শওকত আজাদ
গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় সরকার হস্তক্ষেপ করে না : তথ্য প্রতিমন্ত্রী
জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ খাতেবিনিয়োগ ও প্রযুক্তি সহযোগিতায় আগ্রহী জাপানের মিতসুই
এআই বিচারব্যবস্থার সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে : আইনমন্ত্রী

সর্বশেষ - খবর

আপনার জন্য নির্বাচিত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত

জনগণের জানার অধিকার নিশ্চিত করতে গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

নতুন ৬ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন

আপনার সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছি : মির্জা ফখরুলকে ভারতের রাষ্ট্রপতি

প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন দুজন

শপথ নিলেন নতুন চার মন্ত্রী

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন মির্জা ফখরুল

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতি আনতে চায় বাংলাদেশ-ভারত

তথ্যমন্ত্রীর সাথে জাতিসংঘে বাংলাদেশের মনোনীত স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খানের সাক্ষাৎ

মোদীর সঙ্গে বৈঠক করলেন দীনেশ ত্রিবেদী

শহীদদের ত্যাগে অবাধ নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

মানবপাচার ও অনলাইন স্ক্যাম প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পদত্যাগপত্রে যা লিখলেন মো. সাহাবুদ্দিন

ঐতিহাসিক জুলাই শহীদ দিবসে শহীদদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার

প্রাণী চিকিৎসায় মানসম্মত ওষুধ ও আধুনিক সেবা নিশ্চিত করতে হবে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি মোস্তাক আহম্মেদ ও শ্রেষ্ঠ আইসি রফিকুল ইসলাম

২৪ অক্টোবর হতে ৭ বিভাগে HPV টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু

প্রেমের বিয়ে মেনে না নেওয়ায় প্রাণ দিলেন নব-দম্পতি

প্রাইম ব্যাংকের ডিএমডি হিসেবে পদোন্নতি পেলেন মোঃ ইকবাল হোসেন

বীমা খাতে প্রথমবারের মতো চালু হলো শতভাগ কাগজ বিহীন এজেন্ট নিয়োগ পদ্ধতি

এক বছর পর খালেদার দেখা পেলেন স্থায়ী কমিটির সদস্যরা

বাংলাদেশ আই হসপিটালে চালু হয়েছে দেশের প্রথম জায়েস ভিশন এক্সপার্ট সেন্টার

বন্ধুদের সঙ্গে পুকুরে গোসল করতে নেমে কিশোর নিহত

ইরানের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে দেশটির জনগণ: মালালা ইউসুফজাই

গ্রাহক অভিজ্ঞতায় উন্নয়ন ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে সাফল্য এনেছে গ্রামীণফোন