অলিদুর রহমান অলি, গাজীপুরঃ গাজীপুরের টঙ্গীর সিরাজ উদ্দিন বিদ্যানিকেতন এন্ড কলেজে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের ৫৯তম জন্মদিন উপলক্ষে বিশেষ দোয়া ও কেক কাটার মাধ্যমে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়।
এসময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একযোগে সমগ্র দেশব্যাপী ৫০০০ শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব উদ্ভোধন করেন। প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের ঘোষণার পরপরই শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে পর্যায়ক্রমে শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব উদ্বধন, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, কবিতা ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ১৮ই অক্টোবর মঙ্গলবার সকাল বিদ্যালয়ের হলরুমে ছাত্র, ছাত্রী,অবিভাবক, অতিথি ও শিক্ষকদের নিয়ে সারাদিন ব্যাপী নানা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে সিরাজ উদ্দিন বিদ্যানিকেতন এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ ওয়াদুদুর রহমান বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট ছেলে শহিদ শেখ রাসেলের ৫৯তম জন্মদিন আজ।
১৯৬৪ সালের এই দিনে ঐতিহাসিক ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবনে শেখ রাসেল জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট ঘাতক চক্রের নির্মম বুলেটের হাত থেকে রক্ষা পায়নি বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেল। বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে ঘাতকেরা নিষ্ঠুরভাবে তাকেও হত্যা করেছিল। শহিদ শেখ রাসেল ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ছিল। আজ তার জন্মদিনেও বুকে চাপা কষ্ট নিয়ে বলতে হচ্ছে, প্রতিদিনের মতো সেদিনও নিশ্চিন্তে মায়ের কোলে ঘুমিয়ে ছিল শিশু শেখ রাসেল।
এ সময় বাড়ির ভেতরে মুহুর্মুহু বুলেটের শব্দ আর আর্তচিত্কার শুনে অবুঝ শিশু রাসেল কান্নাজড়িত কণ্ঠে ঘাতকদের বলেছিল, ‘আমি মায়ের কাছে যাব’ কিন্তু মায়ের কাছে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে রাসেলকেও গুলি করে হত্যা করে। আজ রাসেল বেঁচে থাকলে হয়তো জাতির নেতৃত্ব দিত, দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করত। কিন্তু এটা বাঙালি জাতির দুর্ভাগ্য।



































