এম এ মান্নান, লালমনিরহাট : লালমনিরহাটে পুত্রবধূকে ধর্ষণের মামলায় শশুরসহ দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এঘটনায় আজ বিকেলে লালমনিরহাট পুলিশ সুপার আবিদা সুলতানা তার সম্মেলন কক্ষে প্রেস ব্রিফিং করেছেন। এসময় তার সাথে ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম ও আদিতমারী থানার অফিসার ইনচার্জ।

পুলিশ সুপার জানান, লালমনিরহাটের আদিতমারী থানার পলাশী ইউনিয়নের তালুক পলাশী গ্রামের গৃহবধূ) কে তার অসুস্থতা ও বাড়ি ফাঁকা থাকার সুযোগে শশুর মকসুদার রহমান গত ২৯ নভেম্বর দুপুরে নিজ বাড়িতে সুকৌশলে জ্বরের ঔষুধের পরিবর্তে চেতনা নাশক ঔষুধ খাইয়ে ওড়না দিয়ে হাত বেধে মুখ চেপে ধরে জোড় পুর্বক ধর্ষণ করে তিনি আরো জানান, গৃহবধূর স্বামী হাবিবুর রহমান পেশায় একজন অটোচালক। সে খাওয়ায় জন্য বাড়ি ফিরে তার স্ত্রীকে উলঙ্গ অবস্থায় উদ্ধার করলে সে স্বামীকে ঘটনা জানায়।
এঘটনায় মামলা দায়েরে বাধা, আপোষ মিমাংসার চাপ ও আলামত নষ্ট করার চেষ্টাসহ আসামীকে আত্নগোপনে থাকার সহযোগীতা দেয় স্থানীয় কয়েক ব্যাক্তি। পরে ঘটনা জানতে পেরে থানা পুলিশ ধর্ষিতাকে তালাবদ্ধ ঘড় থেকে উদ্ধার করে।
এব্যাপারে ৭ ডিসেম্বর আদিতমারী থানায় ৪জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করে ধর্ষিতার বাবা দেলোয়ার হোসেন। আদিতমারী থানা পুলিশ রাতভর অভিযান চালিয়ে ধর্ষক মকছুদার রহমান ও মামলার তিন নম্বর আসামী মনছুর আলীকে গ্রেফতার করে।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে তাদের কোর্টে সোপর্দ করা হলে বিজ্ঞ আদালত তাদের জামিন না মন্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এদিকে এ ঘটনায় ধর্ষিতার স্বামী হাবিবুর রহমান লজ্জা ও ক্ষোভে গত সোমবার দুপুরে বিশ পানে আত্নহত্যার চেষ্টা করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে আদিতমারী উপজেলা সাস্থ কমপ্লেক্সে নিয়।তার অবস্থা আশংকাজনক হওয়ার তারা তাকে রেফার্ড করে লালমবিরহাট সদর হাসপাতালে। তবে হাবিবুর রহমান এখন আশংকামুক্ত বলে জানান সদর হাসপাতালের চিকিৎসক।



































