300X70
বুধবার , ১০ জুলাই ২০২৪ | ১৯শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অন্তর্বর্তীকালীন সরকার
  2. অপরাধ ও দূর্নীতি
  3. আইন ও আদালত
  4. আনন্দ ঘর
  5. আনন্দ ভ্রমন
  6. আবহাওয়া
  7. আলোচিত খবর
  8. উন্নয়নে বাংলাদেশ
  9. এছাড়াও
  10. কবি-সাহিত্য
  11. কৃষিজীব বৈচিত্র
  12. ক্যাম্পাস
  13. খবর
  14. খুলনা
  15. খেলা

‘সরবরাহ উৎসের মূলোৎপাটন করে মাদককে স্থায়ীভাবে নির্মূল করতে হবে’

প্রতিবেদক
বাঙলা প্রতিদিন২৪.কম
জুলাই ১০, ২০২৪ ১১:৪১ পূর্বাহ্ণ

মাদকাসক্তি-অপরাধ নাকি মানসিক রোগ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

সোহেল রানা : স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন,স্থায়ীভাবে মাদকের অবাধ ব্যবহার এবং মাদক নির্মূল করতে মাদকের সরবরাহ উৎসের মূলোৎপাটন করতে হবে। মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ দেশের সকল সচেতন নাগরিককে মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করতে হবে।

মন্ত্রী বুধবার(১০ জুলাই) সিরডাপ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘মাদকাসক্তি- অপরাধ নাকি মানসিক রোগ এবং এর প্রতিকার’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যকালে উপস্থিত সুধীবৃন্দের প্রতি এসব কথা বলেন৷

তাজুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশে কোনো মাদক তৈরি হয় না। পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে বাংলাদেশে মাদক প্রবেশ করে৷ তাহলে কেন আমরা মাদকের প্রবেশ পথগুলো বন্ধ করতে পারছিনা? মাদকের প্রবেশ পথগুলো চিহ্নিত করতে হবে৷ একইসাথে মাদক ব্যবসা বা মাদক সরবরাহের সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে মাদক নির্মূল করতে হবে। মাদক নির্মূলে সবাইকে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে হবে।

 মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহবান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে ব্যাপক সামাজিক আন্দোলন এর অংশ হিসেবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ের মাদকের ক্ষতিকারক দিকগুলো আলোচনার পাশাপাশি সুস্থ সংস্কৃতির চর্চা ও বিভিন্ন এক্সট্রা কারিকুলাম এক্টিভিটিসে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রম এতে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে মাদকের শারীরিক ও মানসিক প্রভাব সম্পর্কে তথ্যসমূহ সহজভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।

ঢাকাসহ অন্যান্য শহরগুলোতে পর্যাপ্ত বিনোদনের অভাব এবং খেলাধূলার মাঠ সংকটও উঠতি বয়সী ছেলেদের মাদকাসক্ত হওয়ার অন্যতম কারণ হিসেবে মনে করেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী।এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের শহরগুলিতে পর্যাপ্ত বিনোদনের অভাব এবং খেলাধূলার জন্য মাঠের সংকট রয়েছে৷ যার ফলে উঠতি বয়সীরা অবসর সময়গুলো কাটানোর জন্য মাদক ব্যবহারে আকৃষ্ট হয়।একটি নগর পরিকল্পনায় যেমন ২৫ শতাংশ যোগাযোগ ব্যবস্থা থাকা জরুরি, ঠিক তেমনি ড্রেনেজ, খেলাধুলা এবং বিনোদন ব্যবস্থার জন্য ১৫ শতাংশ থাকতে হবে৷


এথেনা লিমিটেডের আয়োজনে এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) অধ্যাপক ডা. মো. আজিজুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং এথেনা লিমিটেডের নুসরাত সারিন চৌধুরীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত গোলটেবিল বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য জারা জাবিন মাহবুব, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. জাফরুল্ল্যাহ কাজল, প্রফেসর প্রধানমন্ত্রীর সাবেক তথ্য উপদেষ্টা বরেণ্য সাংবাদিক ইকবাল সোবাহান চৌধুরী, বীরমুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা. অরূপ রতন চৌধুরী, অধ্যাপক ডা, এম এ মােহিত কামাল, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব জয় ই মামুন, মেহের আফরোজ শাওনসোমিদ রাজজারসহ আরও অনেকে।

এদিকে, অ্যাথেনা লিমিটেডের মানসিক ও মাদকাসক্তি চিকিৎসা এবং মানসিক স্বাস্থ্য পরামর্শ কেন্দ্রের মেন্টাল হেলথ কাউন্সেলর নুসরাত সাবরিন চৌধুরী অনুষ্ঠান পরিচালনাকালে বলেন, বর্তমানে মাদকাসক্তি একটি ক্রমবধমান জনস্বাস্থ্য সমস্যা। যেকোন সমস্যা সংকটের মধ্যেও যেটিকে নিয়ে অবহেলার সুযোগ নেই তা হলে। মাদকের আগ্রাসন ও এব নেতিবাচক প্রভাব।

UNODC World Drug Report 2023 অনুযায়ী ২০২১ সালে বিশ্বব্যাপী ১৫-৬৪ বছর বয়সী মাদকসেবীর সংখ্যা ২৯৬ মিলিয়নেরও বেশি। যা আগের দশকের তুলনায় ২৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। উন্নত ও অনুন্নত সব বাষ্ট্রেই মাদক অন্যতম সমস্যা এবং উন্নয়নশীল বাংলাদেশও এর বাতিক্রম নয়। ভৌগোলিক কারণে মাদক চোরাচালানের তিনটি প্রধান অঞ্চলের কেন্দ্রে বাংলাদেশের অবস্থান। তাই মাদক উৎপাদনকারী দেশ না হয়েও মাদক পাচারের ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার হওয়ায় বাংলাদেশ মাদকের বড় ঝুঁকির মধ্যে বয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে নতুন পথে নতুন মাদকের অনুপ্রবেশ এই পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে তরুণ যুবকদের বেশ বড় একটা অংশের পাশাপাশি পূর্ণবয়স্ক, এমনকি শিশু-কিশোরদের মধ্যেও মাদকাসক্তি আশঙ্কাজনক হারে ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশে বহুল ব্যবহৃত মাদক এর মধ্যে রয়েছে গাঁজা, ইয়াবা, হেরোইন, ক্রিস্টাল মেথ বা আইস (মিথাইল অ্যাম্ফেটামিন), প্যাথেড্রিন, ডান্ডি, অ্যালকোহল। এছাড়াও কুশ এলএসডি (লাইসার্জিক অ্যাসিড ডাইথ্যালামাইড), ডিওবি (ডাইমেথক্সিব্রোমো অ্যাম্ফেটামিন), খাট (ক্যাথিনোন ও ক্যাথিন), ম্যাজিক মাশরুম, বুপ্রেনরফিন, কোডিন ট্যাবলেট, কোকেইন ও ক্র্যাটম প্ল্যান্টের মতো মাদকের অনুপ্রবেশ ঘটেছে নানা পথে।

সরকারিভাবে দেশে মাদকসক্তদের সঠিক কোন পরিসংখ্যান নেই তবে বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর মতে, দেশে মোট জনসংখ্যার প্রায় ৭০ লাখ মাদক নির্ভরশীল যেখানে ৮৪ ভাগ পুরুষ এবং ১৬ ভাগ নারী। হাসপাতাল ও পুনর্বাসনকেন্দ্রগুলোর তথ্যমতে, ১৮ বছরের নিচে যাদের বয়স তাদের মধ্যে এ হাব আরও বেশি। উচ্চবিত্ত থেকে নিম্নবিত্ত, শিক্ষিত থেকে অল্পশিক্ষিত এবং শহর থেকে গ্রামে কোথাও থেমে নেই মাদকের ভয়াবহ বিস্তার। এখানে উল্লেখ্য যে, এই বিপুলসংখ্যক মাদকসেবীর বেশীরভাগই কোন না কোন মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত। এই পরিস্থিতিতে দেশে লাইসেন্সপ্রাপ্ত বেসরকারি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র আছে ৩৬২ টি।

এ কেন্দ্রগুলোতে মোট শয্যা সংখ্যা ৫ হাজার। সরকারি কেন্দ্রের সংখ্যা রয়েছে ৪ টি, যেখানে ২০০ জনকে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আন্ত ও বহির্বিভাগ মিলিয়ে ২০২২ সালে সরকারি পর্যায়ে চিকিৎসাপ্রাপ্ত মাদকাসক্ত রোগীর সংখ্যা ১৬৩১৬ এবং বেসরকারি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে ১৮৬১৯।

অর্থাৎ সরকারি বেসরকারি পর্যায়ে চিকিৎসাপ্রাপ্ত মোট রোগীর সংখ্যা ৩৪,৯৩৫ যা থেকে এটা স্পষ্ট যে বিপুল সংখ্যক মাদকাসক্ত রোগীই চিকিৎসার আওতায় আসেনা। মাদক নিয়ন্ত্রণ ও মাদকাসক্তি চিকিৎসা একই ছাতার নিচে দুটো আলাদা বিষয়। মাদকাসক্তির মতো জটিল সংকট মোকাবেলায় তিনটি পদ্ধতিতে কাজ করা হয়- সরবরাহ হ্রাস, চাহিদা হ্রাস ও ক্ষতি হ্রাস।

প্রথম কাজটি করে রাষ্ট্রের সুরক্ষা বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী। কিন্তু মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও প্রতিরোধ এর জটিল কাজটি করতে হবে রাষ্ট্র-সমাজ-পরিবার এবং সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে সম্মিলিত প্রয়াসের মাধ্যমে। মাদকাসক্তি একটি ক্রনিক রিল্যান্সিং ব্রেইন ডিজিজ অর্থাৎ এটি একটি মস্তিস্কের রোগ। এই রোগের

সাধারণ লক্ষণগুলোঃ
ক) চিন্তা ও আচরণের পরিবর্তন, মেজাজ খিটখিটে হওয়া, একাকী রুম আটকে রাখা ও বাথরুমে অধিক সময় কাটানো, নিজেকে গুটিয়ে রাখা, সামাজিকতা পরিহার করা
খ) ঘুমের সমস্যা (দিনে ঘুম-রাতে জাগা), খাওয়ার অনিয়ম, খিদে কমে যাওয়া, শরীর দুর্বল, হাত পা কাঁপা
গ) কারণে অকারণে মিথ্যা বলা, টাকার চাহিদা বেড়ে যাওয়া, নতুন বন্ধু তৈরি, পুরনো বন্ধুদের থেকে দূরে সরে যাওয়া, ঘন ঘন মোবাইল নাম্বার বদলানো, ঘরে মাদকের উপকরন পাওয়া যাওয়া
ঘ) পড়ালেখা, চাকুরীর অবনতি, আত্মবিশ্বাস কমে যাওয়া, অন্যমনষ্কতা
৬), বিনা কারণে উৎফুল্ল বা বিষণ্ণ থাকা, উৎকণ্ঠা বা অহেতুক সন্তস্ত্র, অন্যকে সন্দেহ করা, উগ্র মেজাজ হওয়া, যৌনদুর্বলত।

মাদকাসক্তি চিকিৎসায় একটি নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে, হাসপাতাল ও মানসম্মত চিকিৎসাকেন্দ্রে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ বা সাইকিয়াট্রিস্ট, ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট, সাইকোথেরাপিস্ট অথবা সাইকো সোশ্যাল কাউন্সেলরের সমন্বয়ে একটি বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা পদ্ধতি নিশ্চিত করা হয়।

গত ২৬ জুন ছিল মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য- “মাদকের আগ্রাসন দৃশ্যমান, প্রতিরোধেই সমাধান” অর্থাৎ মাদকাসক্তি নিয়ন্ত্রনে প্রতিরোধের কোন বিকল্প নেই এবং এই ক্ষেত্রে ব্যাক্তির নিজের, পরিবারের, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ও সমাজের বা কমিউনিটির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

ব্যাক্তির ক্ষেত্রে তার মানসিক ও ব্যাক্তিত্বের সুস্থ বিকাশ সাধন এর পাশাপাশি তাকে দৃঢ়তার সাথে “না” বলতে শেখার বে। নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ এর বিকাশ ঘটাতে হ দক্ষতা অর্জন করতে হবে। হবে। সুস্থ বিনোদন, সৃজনশীলতা, সাংস্কৃতিক চর্চা ও খেলাধুলায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে মাদকাসক্তি, অপসংস্কৃতি ও সমাজের নানা অসঙ্গতির থেকে নিজেকে মুক্ত রাখতে হবে।

পরিবারের ক্ষেত্রে অবশ্যই প্যারেন্টিং এর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সন্তানের মানসিক বিকাশের জন্য সুস্থ ও আনন্দময় পারিবারিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে এবং সন্তানকে গুনগত সময় দিতে হবে। সন্তানদের আচার আচরণ ও মানসিক পরিবর্তন এর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে সেই সাথে অভিভাবকদের মাদকাসক্তি, মাদকের ধরন ও এর ব্যাবহারজনিত লক্ষণ সম্পর্কেও প্রাথমিক ধারনা রাখতে হবে। তরুণ প্রজন্মের আচরণ, মানসিক অবস্থা ইত্যাদি সম্পর্কে আমাদের জ্ঞানের পরিধি বাড়াতে হবে।

মাদক এর বিরুদ্ধে ব্যাপক সামাজিক আন্দোলন এর অংশ হিসেবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে মাদকের ক্ষতিকারক দিকগুলো আলোচনার পাশাপাশি সুস্থ সংস্কৃতির চর্চা ও বিভিন্ন এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাকটিভিটিস এ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহন নিশ্চিত করতে হবে এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রম এতে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

সামাজিক প্রতিরোধের ক্ষেত্রে প্রথমেই মাদকাসক্তি নিয়ে সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে কাজ করতে হবে। সচেতনতা বৃদ্ধি তে শুধু মাত্র সভা আলোচনায় সীমাবদ্ধ না থেকে মাদক এর শারীরিক ও মানসিক প্রভাব সম্পর্কে তথ্যসমূহ সহজভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। বুঝতে হবে যে এটি একটি মানসিক রোগ এবং মাদকাসক্তিকে অপরাধ বা নৈতিক সংকট হিসেবে না দেখে একে রোগ হিসেবে দেখতে হবে যার একটি যথাযথ চিকিৎসা প্রয়োজন।

সমাজ ও পরিবারের চোখে মাদকাসক্ত ব্যাক্তি একজন অপরাধী কিন্তু মানসিক স্বাস্থ্য বলে মাদকাসক্ত ব্যাক্তি অপরাধী নয় বরং সে একটি অপরাধের শিকার। যারা অবৈধ ভাবে মাদক পাচার ও কেনা বেচার সাথে জড়িত তাদের অপরাধের ভিকটিম হচ্ছে একজন মাদকাসক্ত ব্যাক্তি যে বুঝে বা না বুঝে, দুর্বল মুহূর্তে বা মানসিক রোগের কারণে মাদক গ্রহণ করেছে।

সুতরাং তাকে এই বিষয়ে শাস্তি না দিয়ে, একজন মাদকাসক্ত তরুণকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বহিষ্কার না করে, কর্মক্ষেত্র থেকে অব্যহতি না দিয়ে তাকে চিকিৎসার আওতায় নিয়ে আসা জরুরী। মনে রাখতে হবে, ট্র্যাফিক আইন ভঙ্গ করে দুর্ঘটনায় পতিত হয়ে কারো হাত বা পা ভেঙ্গে গেলে আমরা কিন্তু তাকে প্রথমে জেলে পাঠাইনা, আমরা তাকে প্রথমে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠাই।

ঠিক তেমনি ভাবে মাদক গ্রহণ করলেও তাকে শাস্তি না দিয়ে, তাকে জেলে না পাঠিয়ে তাকে চিকিৎসার জন্য পাঠাতে হবে। আমাদের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন করা দরকার, মাদকাসক্ত ব্যাক্তি হতে পারে আমাদের পরিবারের সদস্য, আমাদের সন্তান- সে মোটেও অপরাধী নয়, তার বিচার বা শাস্তি প্রয়োজন নেই তার দরকার চিকিৎসা।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এর “সমন্বিত কর্মপরিকল্পনায় অধিকাংশই উঠে এসেছে কিন্তু এব সঠিক বাস্তবায়ন হলেই মাদকাসক্তি প্রতিরোধ এ আমরা অনেকাংশে এগিয়ে যাবো। আর একটি ব্যাপার না বললেই নয় মাদকাসক্তি যেহেতু একটি ক্রনিক রিল্যান্সিং ডিজিজ অর্থাৎ এটি পুনরায় আসক্তি ঘটাতে পারে সেহেতু মাদকাসক্ত ব্যাক্তিদের যথাযথ চিকিৎসার পর সমাজের মূল ধারায় ফিরিয়ে আনতে ও পুনঃআসক্তির ঝুঁকি দূর করতে জীবনযাপনের পদ্ধতি পরিবর্তন, পরিপূর্ণ চিকিত্সা, সামাজিক সহায়তা এবং উপযুক্ত পুনর্বাসন করা খুবই জরুরি।

সর্বোপরি সরকারি-বেসরকারি উদ্যগে সমাজ পরিবার সবাই মিলেই সর্বস্তরের মানুষের সমন্বয়ে, ও সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পাড়ি আমরা। মাদকাসক্তি প্রতিরোধে এই আহ্বান করে আমি আজকের দিনে বলতে চাই মাদকাসক্তি কোন অপরাধ নয়, এটি একটি রোগ এবং এর প্রতিকারের জন্য শাস্তি নয়, প্রয়োজন চিকিৎসা।

বাঙলা প্রতিদিনে সর্বশেষ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত
জনগণের জানার অধিকার নিশ্চিত করতে গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর
নতুন ৬ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন
আপনার সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছি : মির্জা ফখরুলকে ভারতের রাষ্ট্রপতি
প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন দুজন
শপথ নিলেন নতুন চার মন্ত্রী
বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন মির্জা ফখরুল
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতি আনতে চায় বাংলাদেশ-ভারত
তথ্যমন্ত্রীর সাথে জাতিসংঘে বাংলাদেশের মনোনীত স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খানের সাক্ষাৎ
মোদীর সঙ্গে বৈঠক করলেন দীনেশ ত্রিবেদী
শহীদদের ত্যাগে অবাধ নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি : তথ্য প্রতিমন্ত্রী
মানবপাচার ও অনলাইন স্ক্যাম প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
পদত্যাগপত্রে যা লিখলেন মো. সাহাবুদ্দিন
ঐতিহাসিক জুলাই শহীদ দিবসে শহীদদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার
প্রাণী চিকিৎসায় মানসম্মত ওষুধ ও আধুনিক সেবা নিশ্চিত করতে হবে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন জায়গায় অভিযানে গাঁজা, হেরোইন, ইয়াবাসহ আটক ১২ জন
এভারকেয়ার হসপিটাল চট্টগ্রামের নেফ্রোলজি বিভাগের নতুন ডক্টর ডা. শওকত আজাদ
গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় সরকার হস্তক্ষেপ করে না : তথ্য প্রতিমন্ত্রী
জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ খাতেবিনিয়োগ ও প্রযুক্তি সহযোগিতায় আগ্রহী জাপানের মিতসুই

সর্বশেষ - খবর

আপনার জন্য নির্বাচিত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত

জনগণের জানার অধিকার নিশ্চিত করতে গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

নতুন ৬ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন

আপনার সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছি : মির্জা ফখরুলকে ভারতের রাষ্ট্রপতি

প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন দুজন

শপথ নিলেন নতুন চার মন্ত্রী

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন মির্জা ফখরুল

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতি আনতে চায় বাংলাদেশ-ভারত

তথ্যমন্ত্রীর সাথে জাতিসংঘে বাংলাদেশের মনোনীত স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খানের সাক্ষাৎ

মোদীর সঙ্গে বৈঠক করলেন দীনেশ ত্রিবেদী

শহীদদের ত্যাগে অবাধ নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

মানবপাচার ও অনলাইন স্ক্যাম প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পদত্যাগপত্রে যা লিখলেন মো. সাহাবুদ্দিন

ঐতিহাসিক জুলাই শহীদ দিবসে শহীদদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার

প্রাণী চিকিৎসায় মানসম্মত ওষুধ ও আধুনিক সেবা নিশ্চিত করতে হবে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনে আগুনের ঘটনা তদন্তে ৭ সদস্যের কমিটি

কেরাণীগঞ্জে ৩ কোটি টাকার চায়না দুয়ারী জাল জব্দের পর ধ্বংস

বছরের সেরা অফার নিয়ে এলো রিয়েলমি, ৯ সিরিজে ৫০০০ টাকা পর্যন্ত ছাড়

বঙ্গবন্ধুর ছায়াকেও ভয় পেতো খুনিচক্র : তথ্যমন্ত্রী

জলবায়ু কর্মকাণ্ডে FAO-এর সহায়তা চাইলেন পরিবেশমন্ত্রী

লোহাগড়ায় জাতীয় শ্রমিক লীগের মোজাম সভাপতি ও রুবেল সম্পাদক

পিলখানা হত্যাকান্ডে শহিদ সেনা কর্মকর্তাদের ১৩তম শাহাদত বার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় পালিত

৮ ঘণ্টা পর শরীয়তপুর-চাঁদপুর রুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক

ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত

সাতক্ষীরা, শেরপুর (বগুড়া), চাটমোহর, সাটুরিয়া ও আশুলিয়ার শ্রীপুরে এনআরবিসি ব্যাংকের কার্যক্রম শুরু