শার্শা(যশোর)প্রতিনিধি: যশোরের শার্শার উপজেলার শ্যালঘোনা নিশ্চিন্তিপুর সংযোগ সেতুটি এখন মরণফাঁদে পরিনত হয়েছে। সেতু চলাচলে অযোগ্য হওয়ায় ভারী যানবাহন চলাচলে নিষেজ্ঞা সম্মলিত একটি সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দিয়েছে এল জি ই ডি কর্তৃপক্ষ। দ্রুত সংস্কার চাই এলাকাবাসী।
যশোরের শার্শা উপজেলার শ্যালঘোনা নিশ্চিন্তিপুর গ্রামের বেতনা নদীর সংযোগ সড়কের সেতুটি প্রায় এক বছর যাবৎ চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় প্রতিনিয়ত ঘটছে দূর্ঘটনা।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারী) ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, শার্শা উপজেলার নাভারন বাজার হয়ে ৩ থেকে ৪ মাইল ভেতরে শ্যালঘোনা গাঁতিপাড়া খেয়াঘাট মোড় বাজারের সামনে বেতনা নদীর উপর স্থাপিত সংযোগ সড়কের সেতুটি দীর্ঘ এক বছর যাবত সেতুর মাঝখানসহ দুই পাশ ভেঙ্গে পড়েছে। একারণে ওই সড়ক দিয়ে যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নাভারণ বাজারকে কেন্দ্র করে রাস্তাটি সরাসরি যশোর বেনাপোল মহাসড়ক সাথে যুক্ত থাকায় অন্তত ২০টি গ্রামের মানুষের চলাচলের একমাত্র সড়কের সেতুটি। সেতুটি ভেঙ্গে যাবার কারনে এর উপর দিয়ে চলাচল প্রায় বন্ধ হতে চলছে।
সাধারণ জণগণের, ভোগান্তির নাই শেষ। ভারী যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ সাইনবোর্ড দিয়েছে এল জি ই ডি।
নিরুপায় হয়ে এলাকাবাসী ধসে যাওয়া সেতুর উপর কোনরকম কাঠ দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছেন। এরমধ্যে একাধিক দূর্ঘটনাসহ গুরুতর আহত হয়েছেন অনেকে।
স্থানীয় ফজলুর রহমান জানান, গতকাল ও একটা ভ্যানগাড়ি সেতু থেকে বেতনা নদীতে পড়ে গেছে, এমন ঘটনা দু-একদিন পর পর ঘটছে।
খেয়াঘাট মোড়ের দোকানদার জহিরুল আলম জানান, যে কোন মূহুর্তে ঘটে যেতে পারে বড় দুর্ঘটনা এলাকাবসীর অনেকে অভিযোগ করলেও কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেন না। স্থানীয় এলাকাবাসীর দাবী চেয়ারম্যান মেম্বাররা যাতে দ্রুত সেতুটি পূর্ণনির্মাণ করে জনগণের ভোগান্তি লাঘব হয়।
এ বিষয়ে নাভারন ১০ নং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহারাব হোসেনের কাছে জানার জন্য তার মুঠোফোন একাধিক বার কল করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।



































