বাঙলা প্রতিদিন প্রতিবেদক: দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন জানিয়েছেন, নির্বাচনী হলফনামায় দেশি সম্পদের পাশাপাশি বিদেশি সম্পদের হিসাব বিবরণীও দিতে হবে। তিনি বলেন, সম্পদের বিবরণীতে বিদেশি সম্পদের হিসাব না দিলে তা অন্যায় হবে এবং কারো যদি অনুপার্জিত অর্থ থাকে, তা দুদকের কাজের অন্তর্ভুক্ত।
রবিবার সকালে সিলেটে দুদকের বিভাগীয় কার্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
দুদক চেয়ারম্যান বলেন, হলফনামায় দেশি ও বিদেশি সম্পদের হিসাব গোপন করা হলে তা অন্যায় বলে গণ্য হবে। এছাড়া, যে সমস্ত প্রার্থীর অনাপার্জিত সম্পদ থাকবে, তাদের বিরুদ্ধেও দুদক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
এ সময় সংস্থাটির সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরে ড. মোমেন ২০০৮ সালের একটি ঘটনা উল্লেখ করেন। তিনি জানান, সেসময় শেখ হাসিনার হলফনামায় ৫.২১ একর কৃষি সম্পত্তি দেখানো হলেও, দুদকের অনুসন্ধানে ২৯ একর সম্পত্তির সন্ধান পাওয়া যায়। যদিও দুদক তখন তদন্ত করে এই বিষয়টি বের করেছিল, কিন্তু কিছু সীমাবদ্ধতার কারণে তখন কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি।



































